logo
the biggest site of
General Knowledge
for knowledge seekers

বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নত্তর
Short Questions of Bangui Literature

  Back   |    New Questions     নতুন প্রশ্নের জন্য New Questions বাটনে ক্লিক করুন।
»
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা রচনার জন্য কারারুদ্ধ হন এবং ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। প্রলয়োল্লাস ও বিদ্রোহী অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের কবিতা। ‘প্রলয় শিখা’ গ্রন্থের জন্য কবির ৬ সাম কারাদণ্ড হয়েছিল।
»
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর মধ্যযুগের শেষ কবি। তিনি কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজকবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই ১৭৫২ সালে তিনি ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যটি রচনা করেছিলেন।
»
‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৮৪৩ সালে। এর সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। ‘তত্ত্ববোধিনী’ ছিল ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র।
»
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’। এ ছদ্মনাম ব্যবহার করে তিনি রচনা করেন ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’।
»
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৭)। এটি রচনা করেন প্যারীচাঁদ মিত্র।
»
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯০৩ সালে ‘কুন্তলীন পুরস্কার’, ১৯২৩ সালে ‘জগত্তারিণী পুরস্কার’ লাভ করেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সদস্যপদ লাভ করেছিলেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করে।
»
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯) রচিত গ্রন্থ ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’, বাংলা সাহিত্যের কথা’ ও ‘ভাষা ও সাহিত্য’। তাঁর ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থটির নাম ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’।
»
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরুঢ়। উৎপত্তি অনুসারে শব্দকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়- তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। গঠনগত দিক থেকে শব্দকে দুভাগে ভাগ করা যায়- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
»
১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে চার্লস উইলকিনস তৎকালে প্রচলিত প্রাচীন পুঁথির বাংলা অক্ষরের আদলে বাংলা হরফ তৈরি করে হুগলীতে প্রথম বাংলা মুদ্রণ যন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এ বছরই এই মুদ্রণ যন্ত্র থেকে ব্রাসি হ্যালহেডের A Grammar of the Bengal Language নামক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এতে বাংলা অংশের মুদ্রণ উইলকিনস নির্মিত বাংলা হরফ ব্যবহার করা হয়।
»
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে মাত্রানীন বর্ণ ১০টি, পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি।
»
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদে প্রান্ত পদের সংখ্যা মোট ৫১টি। তার মধ্যে একটি (১১ সংখ্যক) পদটি কারও কর্তৃক ব্যাখ্যা হয়নি। আবার পুঁতির কয়েকটি পাতা নষ্ট হওয়ায় তিনটি সম্পূর্ণ (২৪, ২৫, ৪৮ সংখ্যক) পদ এবং একটি (২৩ সংখ্যক) পদের শেষাংশ পাওয়া যায়নি। তাই পুঁথিতে সর্বসমেত সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
»
১৭৫৩ সালে ইংরেজরা কলকাতার লালবাজারে উত্তর-পূর্ব কোণে ‘প্লে হাউস’ নামে রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
»
ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হল ‘নীলদর্পণ’। ১৮৬০ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এর রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
»
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ সংগ্রহ করেন। তাঁর সম্পাদনায় চর্যাপদ ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
»
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯০৩ সালে ‘কুন্তলীন পুরস্কার’, ১৯২৩ সালে ‘জগত্তারিণী পুরস্কার’ লাভ করেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সদস্যপদ লাভ করেছিলেন ১৯৩৪ সালে। ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করে।
  New Questions  
Copyright © Sabyasachi Bairagi