logo
the biggest site of
General Knowledge
for knowledge seekers

বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নত্তর
Short Questions of Bangui Literature

  Back   |    New Questions     নতুন প্রশ্নের জন্য New Questions বাটনে ক্লিক করুন।
»
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর মধ্যযুগের শেষ কবি। তিনি কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজকবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই ১৭৫২ সালে তিনি ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যটি রচনা করেছিলেন।
»
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা দৌলত কাজী। দৌলত কাজীর জীবনকাল আনুমানিক ১৬০০-১৬৩৮।
»
কাজী নজরুল ইসলামের ‘রক্তাম্বর ধারিণী মা’ কবিতাটি প্রথম ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ভাদ্র মাসে ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই কবিতায় কবি দুর্গার অসুর বিনাশী মুর্তির আহ্বান করেছেন। কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত হওয়ায় ‘অগ্নিবীণাও’ নিষিদ্ধ হয়। কবির ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটিও নিষিদ্ধ হয়েছিল।
»
‘ব্রজবুলি’ কঠিনতাবর্জিত একপ্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এটি বাংলা, হিন্দি ও মৈথিলী ভাষার মিশ্রণ। এ ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করে বিখ্যাত হয়েছেন বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।
»
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যের জনক। ১৮৪৭ সালে তাঁর কাহিনীধর্মী গ্রন্থ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’তে প্রথম বিরামচিহ্নের সফল ব্যবহার করা হয়।
»
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদে প্রান্ত পদের সংখ্যা মোট ৫১টি। তার মধ্যে একটি (১১ সংখ্যক) পদটি কারও কর্তৃক ব্যাখ্যা হয়নি। আবার পুঁতির কয়েকটি পাতা নষ্ট হওয়ায় তিনটি সম্পূর্ণ (২৪, ২৫, ৪৮ সংখ্যক) পদ এবং একটি (২৩ সংখ্যক) পদের শেষাংশ পাওয়া যায়নি। তাই পুঁথিতে সর্বসমেত সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
»
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরুঢ়। উৎপত্তি অনুসারে শব্দকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়- তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। গঠনগত দিক থেকে শব্দকে দুভাগে ভাগ করা যায়- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
»
১৭৫৩ সালে ইংরেজরা কলকাতার লালবাজারে উত্তর-পূর্ব কোণে ‘প্লে হাউস’ নামে রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
»
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরুঢ়। উৎপত্তি অনুসারে শব্দকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়- তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। গঠনগত দিক থেকে শব্দকে দুভাগে ভাগ করা যায়- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
»
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ইতালিয় রেনেসাঁর সন্ধিক্ষণে চতুর্দশ শতকে কবি পেত্রাক সনেটের উদ্ভাবক।
»
বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকারের- স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। অন্ত্যমিল ছাড়া প্রবহমান পয়ারকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলা হয়। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রবর্তক। অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
»
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- যৌগিক, রুঢ়ি ও যোগরুঢ়। উৎপত্তি অনুসারে শব্দকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়- তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। গঠনগত দিক থেকে শব্দকে দুভাগে ভাগ করা যায়- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
»
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার উইলিয়াম কেরীর সংস্কৃত ‘সিংহাসনদ্বাত্রিংশিকা’ থেকে বাংলায় ‘বত্রিশ সিংহাসন’ অনুবাদ করেন। এটি একটি লোককথা। ইতিহাসের কাল্পনিক চরিত্র বিক্রমাদিত্যের সিংহাসনের চারদিকে আবৃত ৩২ টি পুতুলের মুখ দিয়ে বলা কাহিনী এর বিষয়বস্তু।
»
বাংলা ছন্দ মূলত তিন প্রকারের- স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। অন্ত্যমিল ছাড়া প্রবহমান পয়ারকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলা হয়। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রবর্তক। অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
»
ইংরেজ রাজকর্মচারীদের এ দেশের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে ১৮০০ সালের ৪ মে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় উইলিয়ম কেরীর নেতৃত্বে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। এ কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০৯ সালে। বাংলা বিভাগের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন উইলিয়াম কেরী।
  New Questions  
Copyright © Sabyasachi Bairagi