the biggest site of
General Knowledge
for knowledge seekers

মুক্তিযুদ্ধের ১১ টি সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারগণ
Sector and Sector Commanders of Bangladesh Freedom Fight

» তাজউদ্দীন আহমদের নির্দেশে এমএজি ওসমানী মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টর এবং ৬৫ টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করেন। » ১০ ছিল একটি ব্যক্তিক্রমধর্মী সেক্টর এ সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না। » ১০ ছিল নৌ সেক্টর। » নৌ যোদ্ধাগণ যখন কোন সেক্টরের এলাকায় অভিযান চালাত, তখন সে নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডারের অধীনে তারা যুদ্ধ পরিচালনা করত। » খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন এর মধ্য বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তর ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। » স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীর প্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত মহিলা মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরে এবং সেতারা বেগম ৪ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। » বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (মুক্তিযোদ্ধা চলাকালীন বয়স ১২ বছর) ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
» মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মোহাম্মদ শেখ ৮ নম্বর সেক্টরে, নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ ১ নম্বর সেক্টরে, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ৭ নম্বর সেক্টরে, ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন ১০ নম্বর সেক্টরে, সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ২ নম্বর সেক্টরে, সিপাহি মোহাম্মদ হামিদুর রহমান ৪ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। » তৎকালীন মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ খ্রি. অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ খ্রি. অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। » মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর (বৈদ্যনাথতলা, মেহেরপুর) ৮ ের অধীন ছিল। » মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন এমএজি ওসমানী। » যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তানি পক্ষের সেনাপতি জেনারেল একে খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেন এবং আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এয়ার কমান্ডার একে খন্দকার।
সেক্টর
এলাকা
কমান্ডার ( দায়িত্ব কাল )
সদর দপ্তর
০১ চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা » মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল - জুন)
» মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন - ডিসেম্বর)
হরিণা, ত্রিপুরা, ভারত
০২ নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া-ভৈরব এবং ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ » মেজর কেএম খালেদ মোশারফ (এপ্রিল-সেপ্টম্বর)
» মেজর এটিএম হায়দার (সেপ্টেম্বর - ডিসেম্বর)
মেলাঘর, ত্রিপুরা, ভারত
০৩ আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ » মেজর কে এম শফিউল্লাহ (এপ্র্রিল-সেপ্টেম্বর)
» মেজর এএনএম নুরুজ্জামান (সেপ্টম্বর-ডিসেম্বর)
কলাগাছিয়া, ত্রিপুরা, ভারত
০৪ সিলেটের পূর্বাঞ্চ, খোয়াই-শায়েস্তাগজ্ঞ রেললাইন থেকে পূর্ব-উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক » মেজর সি আর দত্ত
» ক্যাপ্টেন রব
জালালপুর
০৫ সিলেটের পঞ্চিম এলাকা, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল » মেজর মীর শওকত আলী বাঁশতলা, ছাতক, সুনামগঞ্জ
০৬ ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর জেলা ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ » উইং কমান্ডার এম কে বাশার বুড়িমারী
০৭ সমগ্র রাজশাহী, ঠাকুরগাঁও ছাড়া দিনাজপুরের অবশিষ্ট অংশ এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া ও পাবনা জেলা » মেজর নাজমুল হক
» সুবাদার মেজর এ রব
» মেজর কাজী নুরুজ্জামান
বালুরঘটি, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
০৮ সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অংশবিশেষ এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলার এলাকা » মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (আগস্ট পর্যন্ত)
» মেজর এম এ মঞ্জুর (আগস্ট - ডিসেম্বর)
বেনাপোল, যশোর
(এর বিরাট অংশ ছিল কল্যাণী, ভারত)
০৯ সাতক্ষীরা-দৌলতপুর সড়কসহ খুলনা জেলার সমগ্র দক্ষিণাঞ্চল এবং বৃহত্তর বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা » মেজর এম আব্দুল জলিল (ডিসেম্বর - পর্যন্ত)
» মেজর এম এ মঞ্জুর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও
» মেজর জয়নাল আবেদীন
হাসনাবাদ, বাগেরহাট
১০ অভ্যন্তরীণ নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল-চট্টগ্রাম ও চালনা » পাকিস্তান নৌবাহিনীর আটজন বাঙালি কর্মকর্তা নৌবাহিনীর কমান্ডারের অধীন
১১ ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা » মেজর এম আবু তাহের (৩ নভেম্বর পর্যন্ত)
» স্কোয়াড্রন লিডার এম হামিদুল্লাহ (৩ নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত)
মহেন্দ্রগঞ্জ, আসাম, ভারত
Copyright © Sabyasachi Bairagi