» সংখ্যা পদ্ধতির শ্রেণিবিভাগ
» দশমিক থেকে অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর
» অন্যান্য থেকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর
» বাইনারী, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেলের মধ্যে পরিবর্তন
logo
the biggest site of
General Knowledge
for knowledge seekers

Classification of Number System
সংখ্যা পদ্ধতির শ্রেণিবিভাগ

প্রশ্নঃ সংখ্যা পদ্ধতি (Number System), বিট (Bit), বাইট (Byte), শব্দ (Word) কী?
উত্তরঃ সংখ্যা পদ্ধতিঃ বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক ব্যবহার করে সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
বিটঃ ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক চিহ্ন বা প্রতীককে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে বিট বলা হয়। Binary Digit এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল Bit।
বাইটঃ আটটি বিট নিয়ে গঠিত হয় এক বাইট। প্রতি বাইট একটি ক্যারেক্টার বা চিহ্ন বা বর্ণকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ 8Bit = 1 Byte.
  • ১ বিট = ১ বা ০
  • ৮ বিট = ১ বাইট/ ১ ক্যারেক্টার,
  • ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট,
  • ১০২৪ কিলোবিট = ১ মেগাবাইট,
  • ১০২৪ মেগাবিট = ১ গিগাবাইট,
  • ১০২৪ গিগাবিট = ১ টেরাবাইট,
  • ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট,
  • ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট,
  • ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট,
  • ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইয়োটাবাইট
শব্দঃ কম্পিউটার এক সাথে যতগুলো বাইট নিয়ে কাজ করে তাকে বলা হয় কম্পিউটার শব্দ। অর্থাৎ এক বা একাধিক বাইট নিয়ে গঠিত চিহ্ন সমষ্টিকে শব্দ বলা হয়।
য়।
প্রশ্নঃ বেজ (Base) বা ভিত, স্থানীয় মান কী?
উত্তরঃ বেজ বা ভিতঃ কোন সংখ্যা পদ্ধতিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যতগুলো মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তার সমষ্টিকে ঐ সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি বলে।
যেমনঃ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেজ- ২, অক্টারল- ৮, দশমিক- ১০, হেক্সাডেসিমেল- ১৬।
ক্রমিক সংখ্যা পদ্ধতি বেস বা ভিত মৌলিক অঙ্ক বা চিহ্ন
  1. বাইনারি (Binary) ২ ০, ১
  2. অকট্যাল (Octal) ৮ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭
  3. দশমিক (Decimal) ১০ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯
  4. হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) ১৬ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F
স্থানীয় মানঃ কোন সংখ্যার যে স্থানে অঙ্কটি বা প্রতীকটির অস্থান তাকে স্থানীয় মান বলে। যেমনঃ ১৫৭০৩ সংখ্যাটির ৫ এর স্থানীয় মান হল ৫×১০০০ = ৫,০০০।
প্রশ্নঃ সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ (Classification of Number System) আলোচনা কর।
উত্তরঃ
উপস্থাপন বা প্রকাশের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে সংখ্যা পদ্ধতি দু’প্রকার। যথা-
১। নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Numbering System)
২। পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Numbering System) এবং
০১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন সংখ্যায় ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর কোন স্থানীয় মান নেই শুধুমাত্র তার নিজস্ব মান থাকে তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
উদাহরণঃ হায়ারোগ্লিফিক্স সংখ্যা পদ্ধতি।
০২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সংখ্যা পদ্ধতিতে উপস্থাপনের জন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্ন বা বেস বা ভিত এবং ইহার স্থানীয় মান থাকে তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
উদাহরণঃ বাইনারি, অক্টাল, দশমিক, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
খ. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কত প্রকার কী কী? আলোচনা কর।
উত্তরঃ
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ (Kinds of Positional Number System): পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি চার প্রকার। যথা-
১। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
২। অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
৩। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System) এবং
৪। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)
০১. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুটি (২টি) মাত্র অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
বাইনারি অঙ্কঃ ০, ১
০২. অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি (৮টি) অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
অকট্যাল অঙ্কঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭
০৩. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দশ (১০টি) অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
দশমিক অঙ্কঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯
০৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ষোলটি (১৬টি) অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
হেক্সাডেসিমেল অঙ্কঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F
S3 Classification of Number System নাম্বার সিস্টেমের শ্রেণিবিভাগ #1
Copyright © Sabyasachi Bairagi