» কমপিউটার মৌলিক ধারনা
» কমপিউটার সংগঠন
» ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
» মাইক্রোপ্রসেসর
» কমপিউটার সিস্টেম
» কমপিউটার মেমরী
» প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
» কমপিউটারের পরিভাষা
logo
the biggest site of
General Knowledge
for knowledge seekers

কম্পিউটার বিষয়ক মৌলিক ধারনা
Basic Knowledge of Computer

মাল্টিমিডিয়া
মাল্টিমিডিয়া শব্দের শাব্দিক অর্থ হয় ‘বহুমাধ্যম’। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়া এই বহুমাধ্যমকেই বুঝায়। কম্পিউটারের সাথে মাল্টিমিডিয়ার সংযোগ করা হলে Text, Graphics, Audio, Video ও Interactive Computing ইত্যাদি মাধ্যমগুলো কম্পিউটারকে করে সুর, শব্দ, ছবি ও ভিডিওর আকর্ষনীয় ভুবন।
টিভি, কম্পিউটার, টেলিফোন এবং আরো কিছু উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে একাধিক মিডিয় যেমন-গ্রাফিক্স, টেক্সট এবং শব্দকে একত্রে ব্যবহার করে গঠিত সমন্বিত ব্যবস্থাকে মাল্টিমিডিয়া সিষ্টেম বলে।
মাল্টিমিডিয়া গঠনের মৌলিক উপাদন হল
ডেস্কটপ কম্পিউটার
স্টেরিও সাউন্ড সিস্টেম
সিডি-রম ডিস্ক ব্যবস্থা
উচ্চ রেজিউলেশন গ্রাফিক্স কালার মনিটর।
ভিডিও রেকর্ডিং এর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি।
ভিডিও ক্যামেরা।
কালার গ্রাফিক্স প্রিন্টার এবং স্ক্যানার ইত্যাদি।
মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার
বিনোদন, শিক্ষাক্ষেত্র, ইন্টারনেট, প্রকাশনা, মেডিক্যাল, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ইত্যাদি।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত তারবিহীন প্রযুক্তি
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত তারবিহীন প্রযুক্তিরি নাম Wi-MAX. Wi-MAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access. এটি তারবিহীন দ্র্রতগতির উচ্চক্ষমতার ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড প্রযু্ক্তি সেবা।
বাংলাদেশে এ প্রযুক্তির সেবা চালু হয় ২০০৯ সালের ২১ জুলাই। একে চতুর্থ জেনারেশন মোবাইল প্রযুক্তির অংশ বা তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির 4G ও বলা হয়। এর সাহায্যে দেশের দুর্গম অঞ্চলে দ্রুতগতিতে যোগাযোগ করা যায়, দ্রুত কথা বলা, ভিডিওচিত্র প্রেরন, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ ও গ্রহন করা যায়। এটি ব্যয় সাশ্রয়ী প্রযুক্তি।
প্রোটোকল (Protocol)
কমিউনিকেশন সিস্টেমে কম্পিটার ও বিভিন্ন ডিভাইস বা কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিট পদ্ধতি সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে প্রোটোকল। যেমন- TCP/IP, FTP, IPX/SPX, NETBEUI, EntherNET ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ইন্টারনেটে বহুল ব্যবহৃত প্রোটোকল হল TCP/IP.
TCP/IP
TCP/IP পূর্ণরূপ হচ্ছে Transmission control protocol/Internet protocol অর্থাৎ ট্রান্সমিশন নিয়ন্ত্রণ আইন/বিধি এবং ইন্টারনেট আইন/বিধি।
এক কথায়, নেটওয়ার্ক কম্পিউটারগুলোর জন্য সুপরিকল্পিতভাবে নির্ধারিত রীতিনীতি হচ্ছে নেটওয়ার্ক প্রোটোকল।
১৯৮২ সালে TCP/IP প্রটোকল উদ্ভাবন হয়। ১৯৮৩ সালে আরপানেট TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
ইন্ট্রানেট ও এক্সট্রানেট
ইন্ট্রানেট মূলত ইন্টারনেটেরই আরেকিট ভার্সন। ইন্ট্রানেট হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ওয়েবসাইট যা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই কেবল ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছাড়া ইন্ট্রানেটে আর কাউকে প্রবেশাধিকার দেয়া হয় না। ইন্টারনেটে যে কেউ প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ইন্ট্রানেট কেবল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ব্যবহার করতে পারে। ইন্ট্রানেট যখন অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযোগ দেয় তখন তা এক্সট্রানেট হিসেবে কাজ করে।
ইন্টারনেট IP Address
ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে । এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (ID Address) ।অংক দিয়ে লেখা হয় এ ঠিকানা । তবে সহজে মনে রাখার জন্য ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয় ।
আইপি অ্যাড্রেসের প্রতিটি সংখ্যার ৮ বিট এবং সম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য ৩২ বিট প্রয়োজন
Power Point
Microsoft Power Point একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম যা Microsoft Corporation তৈরি করে ।সর্বপ্রথম ১৯৮৭ সালে Presenter নামে Macintosh কম্পিউটারের জন্য ডিজাইন করা হয় ।
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহারের মাধ্যমে আকর্ষণীয় ডিজাইনে স্লাইড , রিপোর্ট, প্রজেক্ট স্ট্যাটাস, বিজনেস প্লান ইত্যাদি তৈরী করে মনোমুগ্ধকরভাবে পর্দায় উপস্থাপনের জন্য এর ব্যবহার দিনের পর দিন বৃদ্বি পাচ্ছে।
ব্যবসা , চাকুরী কিংবা লেখাপড়ার কাজে আজকাল Power Point এর ব্যবহার দিনের পর দিন বৃদ্বি ও জনপ্রিয় হচ্ছে ।
অ্যানিমেশন
কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন ড্রয়িং, পেইন্টিং, ইমেজ, ছবি ইত্যাদি স্থির বস্তুকে বিভিন্ন ডাইমেনশনে (গণিত) গতিশীল করার কৌশলকেই অ্যানিমেশন বলে ।
দ্বিমাত্রিক(2D) অ্যানিমেশন : দ্বিমাত্রিক তলে (2D Plane) তৈরি কোন ইমেজ , টেক্সট, ড্রয়িং বা কোন বস্তুকে সচল করাকে দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশন বলে । যেমন - কার্টুন ছবি
ত্রিমাত্রিক (3D) অ্যানিমেশন : ত্রিমাত্রিক তলে (3D Plane) তৈরি কোন ইমেজ , ছবি , টেক্সট, ড্রয়িং ইত্যাদিকে সচল করার পদ্বতি হলো ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন। যেমন - দৈর্ঘ্য , প্রস্থ, ও উচ্চতাবিশিষ্ট কোন জ্যামিতিক বস্তুর আকার তৈরি হলো ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন ।
Computer-এ ত্রিমাত্রিক (3D- Three Dymention) গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশন তৈরি করার জন্য অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসহ অনেক সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- ইনফিনি ডি, থ্রী- ডি স্টুডিও, থ্রী-ডি ম্যাক্স, এডোবি প্রিমিয়ার, আই ফিল্ম এডিট ইত্যাদি ।
ডেটা কম্প্রেসন
ডেটা কম্প্রেসন বলতে ডেটা সংকুচিত অবস্থায় সংরক্ষণ করা বুঝায়। ডেটা কম্প্রেসনের উদ্দেশ্য প্রধানত দুটি
এক. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
দুই. কম্পিউটারের মেমরীর অপচয় রোধ করা
যে সকল পিসিতে বৃহদায়তন ডেটাবেস ব্যবহার করা হয় সে সকল পিসিতে ডিটা কম্প্রেসনের মাধ্যমে কম্পিউটারের মেমরীকে ফ্রি রাখা হয়।
ডোমেইন নেম ও DNS
IP Address- কে খুব সহজেই ব্যবহারযোগ্য করে তোলার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোন নাম ব্যবহার করা হয়। কারেকটার ফর্মের (Form) দেওয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকেই বলে ডোমেইন নেম (Domain Name). যেমন- IP Address এ ২০৩.৯১.১৩৯.২ এর পরিবর্তে bijoy.net. ডোমেন নেম ব্যবহার করা যায়।
একই নেম যাতে অন্য কেউ না পায় সেজন্য ডোমেইন নেমকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়। যে পদ্ধতিতে ডোমেন নেমকে (Domain Name) নিয়ন্ত্রণ করা হয় সেটি হলো DNS(Domain Naming System)।
টেলনেট (Telnet)
যে সার্ভিস (Service) এর মাধ্যমে কোন ব্যবহারকারী (user) দূরবর্তী কোন অবস্থানের কোন কম্পিউটারে লগ ইন (log in) করতে পারেন এবং তা থেকে রিসোর্স (Resource) ব্যবহার করতে পারেন সে সার্ভিসকে (Service) কে বলা হয় টেলনেট (Telnet) .
টেলনেট(Telnet) লোকাল কম্পিউটারেটিকে টার্মিনাল এবং দূরবর্তী অবস্থানের যে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করা হয় সেটিকে হোস্টের (Host) সাথে তুলনা করা যায়।
মডেম
মডেম হচ্ছে একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস (Device)। নেটওয়ার্কিংয়ে (Networking)তথ্যাবলি আদান-প্রদানের জন্য মডেম (Modem) ব্যবহৃত হয়। Modem শব্দটি Modulation শব্দের Mo এবং Demodulation শব্দের ‘Dem নিয়ে গঠিত।
সার্ভার
সার্ভার মূলত একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা কেন্দ্রীয়ভাবে স্থাপিত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগযোগ ও উপাত্ত বিনিময়ের ব্যবস্থা করে। এক্ষেত্রে খুবই শক্তিশালী প্রসেসর (Processor) ব্যবহৃত হয় এছাড়াও থাকে অধিক ক্যাশ স্মৃতি ও সহায়ক স্মৃতি।
ইন্টারনেটে IP Address
ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে । এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (ID Address) ।অংক দিয়ে লেখা হয় এ ঠিকানা । তবে সহজে মনে রাখার জন্য ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয় ।
প্রতিটি কম্পিউটারের আইপি এ্যাড্রেস হলো একটি সফটওয়্যার এ্যাড্রেস, হার্ডওয়্যার এ্যাড্রেস নয়। একই আইপি এ্যাড্রেস একাধিক কম্পিউটারের হতে পারে না। আইপি অ্যাড্রেসের প্রতিটি সংখ্যার ৮ বিট এবং সম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য ৩২ বিট প্রয়োজন।
HTML
ওয়েভ পেইজ তৈরি করতে যে ল্যাংগুয়েজটি ব্যবহৃত হয় তা HTML. HTML হলো Hyper Text Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ওয়েভ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব পেইজ সংরক্ষনের জন্য সাধারণত একটি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় যার নাম হচেছ HTML. এর জন্য যে প্রটোকল ব্যবহার করা হয় তা হচ্ছে http বা হাইফার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল।
এটি একটি বহুমুখী (Versatile) ল্যাংগুয়েজ। ১৯৯০ সালে জেনেভার Cern এর কাজ করার সময় টিম বার্নাস-লী সর্বপ্রথম HTML আবিষ্কার করেন।
হোম পেজ
এটি এক ধরনের ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোন ব্যক্তি তার নিজের সম্পর্কিত তথ্য অন্যকে জানানোর জন্য ওয়েভ সার্ভারে তার বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। একে হোম পেজ বলে।
ডোমেইন (Domain)
ইন্টারনেট পৃথক শত শত এলাকায় বিভক্ত। এগুলোকে ডোমেইন (Domain) বলা হয়। এক একটি ডোমেইন অনেকগুলো হোস্ট বা কম্পিউটার থাকে। প্রতিটি ডোমেইন কতগুলো সাব ডোমেইন বিভক্ত থাকে।
ডোমেইন দুই ধরনের
যথা- Generic এবং Countries
Generic
প্রচলিত Generic ডোমেইনগুলো হল com, edu, gov, int, mil, net, org
Countries
ডোমেইন হিসেবে ব্যবহার করার জন্য প্রতিটি দেশের সংক্ষিপ্ত নাম ব্যবহার করা হয়। যেমন- bd- বাংলাদেশ ul- যুক্তরাজ্য, in- ভারত।
ওয়েব পেইজ
ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে রক্ষিত ফাইলকে ওয়েভ পেইজ বলে যা ইন্টারনেট ব্যবহারকররীদের দেখার উপযোগী। এ Web Page সাধারণত HTML-এ (Hyper Text Mark - up Language) লেখা হয় এবং WWW (World Wide Web) -এ ফাইল(File) তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়। এই ফাইল (File) Web Page সমূহ নামে পরিচিত।
ওয়েব ব্রাউজিং
ওয়েব ব্রাউজিং হলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ওয়েব পেইজ পরিদর্শন প্রক্রিয়া। ওয়েব ব্রাউজিং- এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য আরোহণ সম্ভব।
ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন
কোন নির্দিষ্ট তথ্যের সংশ্লিষ্ট ওয়েব সার্ভারের (Web Server) অ্যাড্রেস (Address) জানা থাকলে খুব সহজে তথ্যটি খুজে বের করা যায়। কিন্তু যদি Web Server -এর Address টি জানা না থাকে সেক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) ব্যবহার করে সহজেই যে কোন তথ্য খুজে বের করা যায় না।
Search Engine সমস্ত Internet বিস্তৃত Web Site গুলোকে আয়ত্তের মধ্যে রাখা। কতগুলো জনপ্রিয় Search Engine হলো - Yahoo, Altavista, Google ইত্যাদি।
ওয়েব ব্রাউজার
যে প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়েব পেজ (Web Page) টিক দেখা যায় সেটিই হলো ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser) । সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার প্রোগ্রাম হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) এবং নেটস্কেপ নেভিগেটর (Netscap Nevegator )
Internet Explorer Windows অপরেটিং সিস্টেমের (Operating System ) সাথেই থাকে কিন্তু নেটস্কেপ নেভিগেটরকে (Netscap Nevegator) আলাদা করে Install করতে হয় ।
Hypertext হলো www (word wide web) এর মূলভিত্তি। কোন সাধারণ ডকুমেন্ট লিখতে হলে হাইপারটেক্সট (Hypertext) এর সাহায্য নিতে হয়।
Hypertext এর বিশেষত্ব হলো এর সাহায্যে লেখার মধ্যে লিংক (Link) বা যোগসুত্র রাখা যায়। এর সাহায্যে ডকুমেন্টের (Document) বিভিন্ন শাখায় যাওয়া যায়।
ওয়েব এ্যাড্রেস
ওয়েব অ্যাড্রেস (Web Address) ডোমেনের অন্তর্ভুক্ত একটি কম্পিউটারের পরিচয় বহন করে যা ওয়েব সার্ভিস (Web Service) প্রদান করে। প্রতিটি Web Address এর পেছনে একটি আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) কাজ করে।
Internet এ যখন কোন Web Address লিখে Interpress করা হয় তখন DNS এর মাধ্যমে তা IP Address এ রূপান্তরিত হয় এবং নির্দিষ্ট কম্পিউটারকে খুজে পায়।
VSAT
Very Small Aperture Terminal এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো VSAT. এর একটি ছোট এন্টেনা থাকে যা ০.৮ থেকে ২.৪ মিটার ব্যাস। যেখানে তার যোগাযোগ নেই বা বসতি নেই বা বিস্তৃত এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কম সেসব স্থানে ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) ডিস্ট্রিবিউট করার উত্তম পন্থা হল ভিস্যাট।
মহাকাশে নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বস্তুটিকে বলা হয় স্যাটেলাইট (Satellite) বা উপগ্রহ। স্যাটলাইট (Satellite) গুলি সাধারণত দুই প্রকারের যথা-
প্রাকৃতিক স্যাটেলাইট; কৃত্রিম স্যাটেলাইট
প্রাকৃতিক স্যাটেলাইটঃ সৌরজগতের প্রথিবী ও অন্যান্য গ্রহ (Planet) যা সূর্য়ের চারিদিকে নিজ নিজ কক্ষপথে ঘোরে সেগুলো হলো প্রাকৃতিক স্যাটেলাইট। যেমন- চন্দ্র হলো পৃথিবীর প্রাকৃতিক স্যাটেলাইট। কারণ চন্দ্র পৃথিবীর চারিদিকে নিজ কক্ষপথে ঘুরছে।
কৃত্রিম স্যাটেলাইটঃ মানুষ্য দ্বারা পৃথিবীতে নির্মিত স্যাটেলাইটগুলো হলো কৃত্রিম স্যাটেলাইট। এগুলো রকেট (Rocket) এর সাহায়্যে তাদের কক্ষপথে স্থাপিত করা হয়। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন যে স্পুটনিক-১ (Sputnik-1) নিক্ষিপ্ত করেছিল সেটা ছিল প্রথম কৃত্রিম স্যাটেলাইট।
কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট (Communication Satellite) হলো একটি ভেইকল যা টেরেসটোরিয়াল কমিউনিকেশন স্টেশন এবং অপর কোন কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট- এ অথবা অপর কোন স্যাটেলাইটে সিগলাল (Signal) রিলে (Relay) করে।
কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট হচ্ছে মহাশূন্যে অবস্থিত রেডিও মাইক্রোয়েভ (Radio Microwave)ব্যবহার করে যোগাযোগ রক্ষা করার কৃত্রিম স্যাটেলইট। অধিকাংশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট জিও সিনক্রোনোয়াস (Geosynchronous) অর্বিটস (Orbits) অথবা নেয়ার জিওস্টেশনারি (Near Geostationary) অর্বিটস (Orbits) ব্যবহার করে থাকে।
Optical fiber এর মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান
অপটিক্যাল ফাইবার সরাসরি এনালগ বা ডিজিটাল ডেটা পরিবহনে সক্ষম নয়। একে প্রেরক যন্ত্রের সাহায়্যে প্রয়োজনীয় মডুলেটর ও লাইট ইমিটিং ডায়েডোর মাধ্যমে আলোক তরঙ্গে পরিণত করে ফাইবারের মধ্যে প্রেরণ করা হয়।
অপটিক্যাল ফাইবার আলোক রশ্মির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এর মাধ্যমে ডেটা পরিবহন করে থাকে। আলোক রশ্মি যখন কোন ক্ল্যাডিং বিভেদ তলে আপতিত হয় তখন তা স্নেলের সূত্রানুসারে প্রতিসৃত হয়। এভাবে বা বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে গ্রাহক যন্ত্রে গিয়ে ধরা পড়ে।
সাবমেরিন ক্যাবল
সাবমেরিন ক্যাবল হল এক ধরনের ক্যাবল ব্যবস্থাপনা। মূলত এটি হল অপটিক্যাল ফাইবারের বৃহদাকার সংযোগ যা সমূদ্র তলদেশে ক্যাবল তারের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশের টেলিকমিউনিকেশনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।
সমুদ্রের তলদেশে স্থাপিত হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে সাবমেরিন ক্যাবল। এর মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে অবিকৃতভাবে তথ্য সম্প্রচার সম্ভব হয়েছে।
সাবমেরিন ক্যাবল ও বাংলাদেশ
সাবমেরিন ক্যাবল হল সাগরের তলদেশে নির্মিত অপটিক্যাল ফােইবার ব্যাবল সংযোগ ব্যবস্থা যা টেলিকমিউনিকেশনে তথ্য আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ ২০০৬ সালে SEA-ME-WE-4 কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগদান করে।
বাংলাদেশে সাবমেনি ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারের ঝিলংজায়। এ প্রকল্পে ১৪টি দেশেরে ১৬ টি আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ কোম্পনী যুক্ত রয়েছে। সদস্য দেশগুলো হলঃ সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংক, ইউএই, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর, ইতালি, তিউনেশিয়া, আলজেরিয়া ও ফ্রান্স।
সাবমেরিন কেবলের মোট দৈর্ঘ ২০,০০০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের দৈর্ঘ্যঃ ১২৬০ কিলোমিটার (গভীর সমুদ্রের মূল কেবল হতে কক্সবাজার পর্যন্ত)। সাবমেরিন কেবলে বাংদেশে প্রাপ্ত বর্তমান ব্যান্ডউইথ/ক্ষমতাঃ ১০ গিগাবিটস/সেকেন্ড।
W W W হচ্ছে
world wide web
বর্তমানে যে পেটোকলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেলিফোন করা যায় তার নাম
ভয়েস ওভার আইপি।
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানের পদ্ধতিকে বলা হয়
ইন্টারনেট।
বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট চালু করা হয়।
১৯৬৯ সালে
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়।
১৯৯৬ সালে ইন্টারনেট চালু হয়।
সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট
হল ফেসবুক, টুইটার।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয়
টেলিমেডিসিন।
WiMax হচ্ছে
তার বিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি। বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষদেশ চীন।
VSAT ব্যবহার করা হয়
ভূপৃষ্ঠ হতে স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের জগতে প্রথম পদক্ষেপ
ARPA net
UUCP প্রটোকলটির পূর্ণ নাম
UNIX To UNIX Copy Program
FTP এর অর্থ
File Transfer Protocol
কয়েকটি ইন্টারনেট ডকুমেন্ট
Web Page, Gopher, FTP file।
ইন্টারনেট একাউন্ট গ্রহনকারীদের
নেটিজেন বলে।
Y2K বাগ হল
২০০০ সালের ১ জানুয়ারী সারা বিশ্বে কম্পিউটারে নতুন সহস্রাব্দজনিত সমস্যা। Y2K তে K মানে হাজার।
ISP এর বিস্তারিত রূপ
Internet Service Provider
E-Mail ঠিকানা দুভাগে বিভক্ত
E-mail ঠিকানায় @ এর আগে ব্যবহারকারীর নাম। E-Mail ঠিকানায় @ চিহ্নের পরের প্রথম শব্দটি হল Host machine name. E-mail= Electronic mail. কোন E-mail ঠিকানায় অবশ্যই @ চিহ্নটি থাকবে।
বর্তমানে যে পেটোকলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেলিফোন করা যায় তার নাম
VOIP (Voice Over Internet Protocol).
TLD হচ্ছে
Top Level Domain।
মাইক্রসফটের নতুন সার্চ ইঞ্জিন হল
বিং।
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে
ওয়ার্ক স্টেশন বলা হয়।
মডেম এর মধ্যে থাকে
একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর।
Copyright © Sabyasachi Bairagi